সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

মে, ২০১৯ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়(University) গুলো কেন র‌্যাঙ্কিং(Ranking) স্থান পাচ্ছে না ?

এশিয়ার সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশের কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম নেই। এর মূল কারণ অবশ্যই খুঁজে দেখতে হবে। যাকে তাকে গালি না দিয়ে সত্যটা জানতে হবে। আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি শুধু লাইব্রেরী আর গবেষণা খাতের পরিচালনা সুষ্ঠু ভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে রেংকিং এ আমরা এগিয়ে আসবো। আর্টস এন্ড সোশ্যাল সাইন্স ফেকাল্টিতে কি গবেষণা হয়? আমাদের ড.শহীদুল্লাহ রা কোথায়? দেশের কৃষ্টি কালচার - প্রত্নতত্ত্ব এসব নিয়ে বিগত বছরে কয়টা মৌলিক গবেষণা হয়েছে? এসব প্রশ্নের উত্তর জানতে হবে৷ আমি চবির কথা জা নি, তা নিয়েই বলি। এখানে লাইব্রেরীতে কেউ যায় না, গেলেও বই পড়ে না নোট করে। আমাদের প্রশ্নপত্র গুলাও তেমন, একই প্রশ্ন বারবার আসে। তাই বেশি বই পড়াটা এখানে বোকামি। .. ঢাবির অবস্থা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা, ঢাবিতে শিক্ষকরা রাজনীতি নিয়ে গবেষণা,ছাত্র ছাত্রীরা দলে ভাগ হয়ে নিজের সহপাঠীদের উপর হামলা করে, যৌন হয়রানি, নির্যাতন, এসব নিয়ে অহরহ পত্রিকা, টিভি চ্যানেলে খবর হয়। আমাদের দেশের প্রাচ্যের অক্সফোর্ড একসময় গর্বের কারণ হলেও এখন সেটা আর নেই। ক্যাম্পাসে টেন্ডারবাজী বন্ধ করুন,গবেষণা খাতে বরাদ্দ টাকা থেকে কোটি টাকার চাঁদা দাবি করে...

ট্যালি(TALLY) সফটওয়্যার কি?ব্যবসায় শিক্ষার শিক্ষার্থীরা কেন শিখবেন এই Business Software কোর্স ?

একাউন্টিং সফটওয়্যারের জগতে খুবই সুপরিচিত নাম হল ট্যালি। এটা যেভাবে পরিচিত সেভাবে ভাল কাজও করে, তাই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের হিসাব নিকাশের কাজ কম্পিউটারাইজড করে নিতে এই ইআরপি সফটওয়্যারটি এখন বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত হচ্ছে। আর ইআরপি সফটওয়্যার এর কথা যখনি আসে তখনি বেশ কিছু খুঁটিনাটি বিষয়ও চলে আসে যা জানা প্রয়োজন। খুঁটিনাটির কথা বলতে গেলে সবার আগে যা নিয়ে আলোচনা করতে হয় সেটা হল সফটওয়্যারের ফিচার। ট্যালিঃ একাউন্টিং তথা হিসাব রক্ষণা-বেক্ষন এর জন্য সব চেয়ে জনপ্রিয় সফটওয়্যার হল এই ট্যালি সফটওয়্যার। এই সফটওয়্যারটি ভারতের ব্যাঙ্গালোর এর Tally Solutions Pvt Ltd নামক কোম্পানিটি তৈরি করে বাজারজাত করে। ধীরে ধীরে এটি একাউন্টিং সফটওয়্যার এর বাজার দখল করে নেয়। আমার এটা সাজেস্ট করার সবচেয়ে বড় কারন হল এটা বাংলা ভাষা সাপোর্ট করে, ফলে ট্যালি দিয়ে খুব সহজেই আপনার প্রতিষ্ঠানের হিসাব নিকাশ কে মায়ের ভাষায় কম্পিউটারাইজ করে নিতে পারেন। বাজারের সবগুলো সফটওয়্যারের মধ্যে ট্যালি অনেক বেশি ফিচার সমৃদ্ধ এবং উপমহাদেশে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত সফটওয়্যার। ২০ বছর ধরে এটি ক্ষুদ্র ব্যবসা থেকে লার্জ কর্পোরেশনগুলোর হিসাব...

যে সকল কলেজে প্রফেশনাল MBA আছে ।

সারা বাংলাদেশে মাত্র ২০ টি কলেজে প্রফেশনাল MBA কোর্স করানো হয়, সেগুলো হলো:  ১।  ঢাকা সিটি কলেজ , রােড-২, ধানমন্ডি, ঢাকা । -১৫০ সিট,  (খরচ -১ লাখ ২০ হাজার টাকা +/-) ২।  তেজগাঁও কলেজ , ঢাকা । -৬০ সিট (খরচ-৭৫,০০০ টাকা) ৩।  Institute of Science & Technology  , ধানমন্ডি, ঢাকা। -৫০ সিট (খরচ ৬৬,০০০ টাকা) ৪।  Institute of Science, Trade and Technology  ( ISTT)  ,মিরপুর-১৩, ঢাকা। সিট -১৪০ সিট (টোটাল খরচ ৪৮,০০০ টাকা।) ৫।  Daffodil Institute of IT , কলাবাগান, ঢাকা। -১১০ সিট (খরচ ৮১,৫০০ +/-, ইন্টার্নশীপ ৮,০০০ +/- টাকা) ৬।  বাংলাদেশ ইনঃ অব বিজনেস এন্ড টেকনােলজী ,নারায়ণগঞ্জ।- ৫০ সিট (খরচ -৫১,৫০০ টাকা) ৭।  মােহাম্মদপুর কেন্দ্রীয় কলেজ , ঢাকা।-৬০ সিট ৮।  ডেল্টা কম্পিউটার সায়েন্স কলেজ , রংপুর।-৫০ সিট (খরচ-৭৫,০০০ টাকা) ৯।  ইসলামিয়া ডিগ্রী কলেজ , চট্টগ্রাম।-৫০ সিট (খরচ -৪০,০০০ টাকা +/-) ১০। I nstitute of Global Management and Information System (IGMIS) , চট্টগ্রাম।-৫০ সিট (টোটাল খরচ- ৫৮,৬০০ টাকা) ১১।  সুন্দরবন সায়েন...

সিএ(CA) পাশ করা কি কঠিন?

কাল রাতে ইনবক্সে একজন জিজ্ঞাসিকরেছেন?" উত্তর দিলাম, "হুম" পরের প্রশ্ন "আচ্ছা সিএ পাশ করা কি কঠিন?" প্রশ্ন শুনে আমি থমকে গেলাম! এর কারন আবার এই নয় যে সিএ পাশ করা অত্যন্ত সহজ অথবা অত্যন্ত কঠিন! এই প্রশ্নের উত্তর অনেকটা আমাদের মোস্তাফিজের পরবর্তী বলের মত অনিশ্চয়তাময়! আমার পরিচিত একজন আছেন, আসেন তার গল্প বলি। ২০০৭ সালের দিকে যখন আমি ইউনিভার্সিটি কোচিং করছি, তখন ওই ব্যাচেলর ফ্ল্যাট এ থাকা এক ভাই সিএ পড়ত। প্রথম বারের মত কাউকে সিএ পড়তে শুনে আমার চোখ তখন কপালে। তার সাথে খুব একটা কথা হতোনা। কারন সে প্রায়শই অনেক রাতে বাসায় ফিরত। শুক্র-শনিবারেও তার নাগাল পাওয়া যেতোনা খুব একটা। তিনি নিয়মিত লাইব্রেরিতে ও যেতেন। কিছুদিন পর ওই বাসা ছেড়ে আসার দরুন তার সাথে আমার অনেকদিন দেখা সাক্ষাৎ হয়নি। শেষমেষ ২০১৬ সালের শুরুর দিকে তার সাথে আমার একদিন লাইব্রেরিতে দেখা। চিনতে খুব একটা কষ্ট হয়নি। আগের মতই চিকন চাকন আছেন। আমার সিএ পাশ করার কথা শুনে অভিনন্দিত করলেন। অনেক কথা হবার পর স্বভাবতই জিজ্ঞেস করলাম, "ভাইয়া কতদুর কি করলেন"। উত্তর এলো, উনি এখনো নলেজ লেভেল (Level 1) ...

সিএ(CA) পড়তে চাই নিজের উপর প্রবল আত্মবিশ্বাস ও Hardwork !!!

প্রায়শই জুনিয়ররা জিজ্ঞেস করে "ভাই পড়ালেখার একদম সময় পাইনা। এত্তো কাজের চাপ। কি করি বলেন তো?" আমি মনে মনে হাসি। বিষয়টা এরকম যে, সবাই ইদানিং ১৬/১৮ ঘন্টা কাজ করছে আর বাকি সময়টায় পড়ালেখা করার সময় হচ্ছেনা। সময় যে আমরা কিভাবে হেলায় নষ্ট করছি তা আমাদের মধ্যে এই বোধটাও কাজ করছেনা আজকাল। আমি যখন সিএ করার সিদ্বান্ত নিয়েছিলাম তখন একটা বিষয় খুব ভালো করেই জানতাম যে আমার জীবনের এ নতুন অধ্যায় খুব একটা সুখের হবেনা। এই তিনটা বছর মোটামুটিরকম জাহান্নামের আশেপাশে থাকার অভিজ্ঞতা হয়ে যাবে। একজন সিএর ছাত্র আর দশটা ছাত্রের মত নয়। বড় ভাইরা ভয় লাগাতো, "পড়ার সময় পেলে তো পাশ করবা"। সারাদিন গাধারখাটুনি খেটে এসে রাতে পড়তে বসতে হবে। সেই পড়া দিয়েই দুনিয়ার সবচেয়ে কঠিনতম পরিক্ষায় (অনেকের মতে) পাশ করতে হবে। সিদ্বান্ত নিলাম, সবকিছু বাদ দিয়ে আমাকে পড়ার সময় বের করতে হবে। জানতাম, একাজ করতে গিয়ে এতোদিন সুখে থাকতে যা যা করেছি, তার সব বাদ দিতে হবে। আটঘাট প্রস্তুতি নিতে আমি সে সব গুলির লিস্ট করলাম। প্রথমেই আসলো ইন্টারনেট এডিকশন। দিনের অধিকাংশ ফ্রি সময় এটার পিছনেই ব্যয় হয়। হিসেব করে দে...

জীবনের যে কোন সময়ে ব্যর্থতা আসতে পারে কিন্তু তাতে ভেঙ্গে পড়া উচিত নয়!!!

জীবনের যে কোন সময়ে ব্যর্থতা আসতে পারে কিন্তু তাতে ভেঙ্গে পড়া উচিত নয়। কারন জীবন থেমে থাকে না, আপনি না চাইলেও সময় গড়াবেই। ভবিষ্যতকে আপনি মোকাবেলা করতেই হবে। তাই অহেতুক আর কোন অজুহাত নয়, সামানের দিকে এগিয়ে চলুন আর ভুল থেকে শিক্ষা নিন ... মনে রাখবেন , একটা দুইটা স্টেজে পা পিছলে পড়ে গেলেই জীবনের দ্য এন্ড হয়ে যায় না। জীবনটা অনেএএএক বড়... আর ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগও অনেক ... আমাদের জীবনে অনেকগুলা ধাপ পার হতে হয়। একটা বা দুইটা ধাপে যদি কেও খারাপ করেও, তাহলে কি তাকে বাতিলের খাতায় ফেলে দেওয়া ঠিক? যদি আপনি ঠিক মনে করেন, তাইলে নিচের লেখাগুলায় একটু চোখ বুলান। একটা তথ্য – বিল গেটস, মার্ক জুকারবার্গ, স্টিভ জবস – এই তিনজনের মধ্যে একটা মিল আছে। কোথায়? তারা তিনজনই ইউনিভার্সিটি ড্রপ আউট স্টুডেন্ট। জুকারবার্গের তাও ব্যাচেলর ডিগ্রি আছে, অন্য ২ জনের তাও নেই। যে হার্ভার্ড থেকে বিল গেটস কিছুই পান নাই, সেই হার্ভার্ডে তাকে আমন্ত্রন জানানো হলো সম্মান জনক ডক্টরেট ডিগ্রি গ্রহন আর সমাবর্তনে বক্ত্রিতা দেয়ার জন্য। তিনি বললেন “যাক এতদিনে আমার সিভিতে লেখার মত একটা কিছু পেলাম” তিনি আর বলেন" 'আমি অ...