সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

প্রফেশনাল কোর্সে হাই ক্যারিয়ার!


হাই প্রফেশনাল হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় প্রফেশনাল কোর্সগুলোর বিকল্প নেই। ক্যারিয়ার গঠন বা পেশাগতভাবে বিশ্বে এই বিষয়টি বেশ গুরুত্ব পাচ্ছে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, দুবাইসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অ্যাকাউন্টিং ও ফাইন্যান্স হচ্ছে চাকরির বাজারে সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন ডিগ্রি। প্রফেশনাল কোর্স সিএ, এসিসিএ, সিএমএ এই তিনটি কোর্স নিয়ে এবারের ফিচার।
প্রফেশনাল কোর্স সিএ
বিশ্বজুড়ে প্রফেশনাল কোর্সের চাহিদা থাকার পাশাপাশি আমাদের দেশেও এই বিষয়ে শিক্ষার্থীরা আগ্রহী হয়ে উঠছে। এটি আন্তর্জাতিক মানের ডিগ্রি। যে কারণে পুরো বিশ্বজুড়েই রয়েছে শিক্ষার্থীর কর্মক্ষেত্র। বিশ্বের প্রায় ৮৩টি দেশে এসিসিএর নিজস্ব অফিস রয়েছে এবং বাংলাদেশেও এসিসিএ অফিস খুলেছে।
এটি জাতিসংঘ এবং ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব অ্যাকাউন্ট্যান্টস-এর সদস্য। এখানে ভর্তি হওয়া সব শিক্ষার্থীই এই সুবিধা পাবেন। বিবিএ এবং এমবিএ করতে সময় বেশি লাগে বলে খরচও বেশি হয়। সেই তুলনায় এসিসিএ সম্পন্ন করতে সময়ও লাগে কম এবং খরচও সেই অনুপাতে অনেক কম হয়। এই কোর্স যথেষ্ট সহজ এবং বাংলাদেশের ব্যাচেলর ডিগ্রির সমান বিএসসি অনার্স ইন অ্যাপ্লাইড অ্যাকাউন্টিং সম্পন্ন করা যায় তিন বছরে। এ দেশে এই আন্তর্জাতিক প্রফেশনাল ডিগ্রি পরিচালনার শীর্ষ প্রতিষ্ঠান চার্টার্ড ইউনিভার্সিটি কলেজ।
সিইউসি চার বছরে এফআইএ, সিএটি, এসিসিএ, বিএসসি অনার্স কোর্সের টিউশন ফি করেছে দুই লাখ টাকার কাছাকাছি। পাবেন কম সময়ে এ ধরনের আন্তর্জাতিক ডিগ্রি অর্জন করা অসাধারণ সুযোগ। এসএসসি অথবা এইচএসসি পাশ শিক্ষার্থীরা সিএটি কোর্সে ভর্তি হতে পারে। সিএটি হচ্ছে অ্যাকাউন্টিং কোয়ালিফিকেশন, যেখানে অ্যাকাউন্টিংয়ের বেসিক থেকে শেখানো হয়।
এটি করার পর দ্রুত এসিসিএ কোর্সে ভর্তি হওয়া যায়। অন্যদিকে এইচএসসি বা ও লেভেল শেষে এফআইএ-তে ভর্তি হয়ে সিএটি সম্পন্ন করা যায়। আবার এ-লেভেল বা যেকোনো বিভাগ থেকে ব্যাচেলর ডিগ্রি করা থাকলে সরাসরি এসিসিএ ক্লাসে ভর্তি হওয়া যায়। তবে কারও অনার্স, মাস্টার্স, সিএ, আইসিএমএ কোয়ালিফিকেশন থাকলে ৯টি বিষয় পর্যন্ত অব্যাহতি পেতে পারেন।
প্রফেশনাল কোর্স এসসিসিএ
শিক্ষা পরবর্তী সময়ে চাকরির বিষয়টি নিশ্চিত করতেই শিক্ষা লাভের বিষয় নির্বাচন গুরুত্ব পাচ্ছে সবার কাছে। পড়ালেখার পরে ডিগ্রি নিয়ে চাকরি পাওয়া যাবে কি না, সেটা নিয়েই চিন্তিত সকলে। এ কারণেই ক্যারিয়ার গড়ার জন্য বৈচিত্র্যময় বিষয়ে পড়ালেখার চিন্তা করছে অনেকেই। বর্তমান সময়ে সহজে ক্যরিয়ার গড়ার অন্যতম কোর্স হচ্ছে এসিসিএ। ভিন্নমাত্রার পেশায় সফলতার হার অনেক বেশি।
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেখানে ৪ বছরে ৮-১৫ লক্ষ টাকা দিয়ে সাধারণ ডিগ্রি নিয়ে ক্যারিয়ার গড়া অনিশ্চিত হয়ে পড়ে, সেখানে তুলনামুলক কম খরচে এ ধরনের প্রফেশনাল অ্যাকাউন্টিং ডিগ্রি সম্পন্ন করে দেশে-বিদেশে দ্রুত চাকরি পাওয়া যায়। বিদেশে পড়তে যাওয়া খরচসাপেক্ষ একটি বিষয়। তাই দেশে বসেই আন্তর্জাতিক মানের এসিসিএ ডিগ্রি গ্রহণের সুযোগ গ্রহণ করছেন অনেকেই। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় বিবিএ বা এমবিএ করতে ৫ থেকে ১২ লাখ টাকা লেগে যায়। সেখানে আনুমানিক চার লাখ টাকায় এসিসিএ সম্পন্ন করা যায়।
কোর্সটি যথেষ্ট সহজ এবং বাংলাদেশের ব্যাচেলর ডিগ্রির সমান বিএসসি অনার্স ইন অ্যাপ্লাইড অ্যাকাউন্টিং সম্পন্ন করা যায় তিন বছরে। এসিসিএ জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃত এবং ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন আব অ্যাকাউন্ট্যান্টসের মেম্বার। এটি আন্তর্জাতিক ডিগ্রি যে কারণে পুরো বিশ্বজুড়েই শিক্ষার্থীর কর্মক্ষেত্র বিদ্যমান থাকে। এসিসিএ কোর্সটি সিএ, আইসিএমএ, সিআইএমএ, সিপিএ প্রভৃতির মত সমমানের। সিএ এবং এসিসিএর মধ্যে মূল পার্থক্য হলো সিএ স্থানীয় কারিকুলাম আর এসিসিএ এচ্ছে ব্রিটিশ কারিকুলাম।
সিএটি হচ্ছে অ্যাকাউন্টিং কোয়ালিফিকেশন যেখানে অ্যাকাউন্টিংয়ের বেসিক থেকে শেখানো হয়। এটি করার পর দ্রুত এসিসিএ কোর্সে ভর্তি হওয়া যায়। যারা একেবারেই এন্ট্রি লেভেল থেকে শুরু করতে চায়, তাদের এফআইএর ইন্ট্রোডাক্টরি সার্টিফিকেট লেভেল থেকে শুরু করতে হবে। যাদের কিছুটা অ্যাকাউন্টিং ব্যাকগ্রাউন্ড আছে, তারা এফআইএর ইন্টারমিডিয়েট সার্টিফিকেট লেভেল থেকে শুরু করতে পারে। যাদের অ্যাকাউন্টিংয়ের বেসিক শক্তিশালী কিন্তু গ্র্যাজুয়েশন নেই, তারা এফআইএর ডিপ্লোমা লেভেল থেকে শুরু করতে পারে। এ ক্ষেত্রেও চার্টাড ইউনিভার্সিটির বিকল্প নেই।
প্রফেশনাল কোর্স সিএমএ
বেড়ে চলেছে পেশাগত ডিগ্রির কদর। সহসা সনদ দিয়েই চাকরি নামের বস্তুটি আর ধরা যাচ্ছে না। আবার অনেকের প্রতিষ্ঠানে পদোন্নতির জন্য প্রয়োজন পেশাগত সনদ। কোনো প্রতিষ্ঠানের ব্যয় নিরীক্ষা ও ব্যবসায়-বাণিজ্যে নিয়োজিত প্রতিষ্ঠানের হিসাব বিভাগ, প্রশাসনসহ কর্মরতদের জন্য একটি কোর্স হচ্ছে সিএমএ। সিএমএ হচ্ছে কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টসের সংক্ষিপ্ত রূপ। নিজেদের এগিয়ে রাখতে সদ্য স্নাতক শেষ করা শিক্ষার্থীরাও করতে পারেন কোর্সটি। বিশ্ব স্বীকৃত এই পেশাগত ডিগ্রিটি বাংলাদেশে প্রদান করে থাকে দি ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টেন্টস অব বাংলাদেশ, সংক্ষেপে যা আইসিএমএবি নামে পরিচিত।
ভর্তি হতে চাইলে সিএমএ কোর্সে দুটি ভাগে ভর্তি হওয়া যাবে। সদ্য স্নাতক বা যারা এখনো চাকরিতে ঢোকেননি তাদের জন্য কোর্সটির নাম কোচিং কোর্স। আর যারা মূলত পেশাজীবী তাদের জন্য করেসপনডেন্স কোর্স। তবে কেউ চাইলে দুটোর যেকোনো একটাতে ভর্তি হতে পারবেন। কোর্স দুটির মৌলিক পার্থক্য হচ্ছে, কোচিং কোর্সের ক্ষেত্রে নিয়মিত ক্লাস করতে হয় এবং নির্দিষ্ট সময় শেষে পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়।
অন্য দিকে করেসপনডেন্স কোর্সের জন্য ক্লাসের বাধ্যবাধকতা নেই। বছরে দুইবার ভর্তি-কার্যক্রম চলে। কোচিং কোর্সের জন্য জানুয়ারি ও জুলাই মাসে মাসে ভর্তি হওয়া যায়। করেসপনডেন্স কোর্সের ক্ষেত্রে জানুয়ারি থেকে জুন সেশনে ভর্তি হতে চাইলে ডিসেম্বর থেকে মার্চ এবং জুলাই থেকে ডিসেম্বর সেশনের জন্য জুন থেকে সেপ্টেম্বর।
আপনি যদি এই ধরনের কোর্স করতে চান তাহলে আপনাকে পাঁচটি লেভেল পার করতে হবে। এ জন্য প্রতিটি লেভেলে চারটি করে বিষয়ে পরীক্ষা দিতে হবে। প্রতিটি লেভেলে কোর্সের মেয়াদ ছয় মাস। এই বিষয়ে সিএমএর সহকারি পরিচালক মো. মাহবুব-উল আলম বলেন, ‘কোচিং কোর্সের ক্ষেত্রে পাঁচটি লেভেল মিলে ভর্তি হিসেবে খরচ হবে মোট ৪৮ হাজার ৪০০ টাকা। করেসপনডেন্স কোর্সের জন্য এ খরচ দাঁড়াবে ৫৩ হাজার ৬০০ টাকা। এ ছাড়া প্রতিটি লেভেলে পরীক্ষার জন্য নির্দিষ্ট অঙ্কের আলাদা ফি দিতে হবে।
ভর্তি হতে চাইলে লাগবে যেকোনো বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি।’ তিনি আরও বলেন, ‘স্নাতক পর্যন্ত সব পরীক্ষা মিলে ফল থাকতে হবে ন্যূনতম ৬ পয়েন্ট। পয়েন্ট হিসাবের ক্ষেত্রে প্রথম শ্রেণীর জন্য ৩ পয়েন্ট ধরা হয়। এ ক্ষেত্রে সিজিপিএ ৫-এর মধ্যে ৩৫ থেকে ৫ এবং সিজিপিএ ৪-এর মধ্যে ৩ থেকে ৪ পর্যন্ত ধরা হয় প্রথম শ্রেণী। দ্বিতীয় শ্রেণীর জন্য ২ পয়েন্ট হিসাব করা হয়। এ ক্ষেত্রে সিজিপিএ ৫-এর মধ্যে ২৫ থেকে ৩৫ এবং সিজিপিএ ৪-এর মধ্যে ২ থেকে ৩ পর্যন্ত ধরা হয় দ্বিতীয় শ্রেণী। তৃতীয় শ্রেণীর জন্য দেওয়া হয় ১ পয়েন্ট। এ ক্ষেত্রে সিজিপিএ ৫-এর মধ্যে ২৫ নিচে এবং সিজিপিএ ৪-এর মধ্যে ২ নিচে ধরা হয় তৃতীয় শ্রেণী।’
গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিষ্ঠান থেকে বৃত্তির ব্যবস্থা করা হয়। এ ছাড়া চারটি লেভেল বা প্রফেশনাল লেভেল-৩ সমাপ্তির পর ৩ মাসের জন্য গবেষণা ও শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজের সুযোগ করে দেওয়া হয়।
সিএমএ সম্পন্ন করে বিভিন্ন বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায় ও বাণিজ্যক প্রতিষ্ঠানের হিসাব বিভাগ, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের উত্পাদন বিভাগসহ প্রশাসন বা অন্যান্য বিভাগেও এ ডিগ্রির কদর রয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থায়ও কাজের ক্ষেত্র বাড়ছে। কাজের ক্ষেত্র সম্পর্কে আইসিএমএবির অতিরিক্ত পরিচালক মো. মাহবুব উল আলম জানান, আইসিএমএবি স্বীকৃত বিভিন্ন ফার্ম অথবা নিজেই স্বাধীনভাবে একটি ফার্ম খুলে বসতে পারেন ব্যবসা-বিশ্লেষণ, কর পরামর্শ, ব্যবস্থাপনা পরামর্শ এবং আর্থিক বিশ্লেষণসহ বিভিন্ন সেবা দেওয়ার জন্য।
এ ছাড়া নিজে উদ্যোক্তা হতে চাইলেও করতে পারেন কোর্সটি। ভর্তির তথ্য সম্পর্কে মো. মাহবুব উল আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, ‘আমাদের এখানে ভর্তি হতে চাইলে যোগাযোগ করতে পারেন আইসিএমএবির শাখাগুলোতে। ঢাকা ছাড়াও চারটি আঞ্চলিক শাখার মাধ্যমে আইসিএমএবি তাদের কার্যক্রম চালায়। ঢাকার জন্য আইসিএমএ ভবন। চট্টগ্রামে যোগাযোগ করুন সিডিএ, আগ্রাবাদ। খুলনা, কুমিল্লা ও রাজশাহীতেও রয়েছে এর ক্যাম্পাস।’ এ ছাড়াও সার্বিক বিষয়ে জানতে আইসিএমএর ওয়েবসাইট ভিজিট করতে পারেন।
তথ্যসূত্র: ইত্তেফাক ডটকম।

মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় (National University) থেকে Medium Of Instruction (MOI) কিভাবে নিবেন?

⭕ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রফেশনাল কোর্স সম্পর্কে অনেকে অনেক কিছুই জেনেছেন আজ নতুন একটা দিক নিয়ে বলবো!(অনেকে জেনে থাকতেও পারে) সেটা হলো প্রফেশনাল অনার্স কোর্স থেকে পাশ করে যারা বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে ইচ্ছুক তাদের বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয় কে একটি এক্সট্রা সনদ দিতে হয় সেটা হল MOI।  Medium of Instruction 🎀 MOI মানে হল  Medium of Instruction (MOI)   এটা হল আপনি যে পূর্বের পড়াশোনা(অনার্স/মার্স্টাস) ইংরেজি মাধ্যমে পড়েছেন সেটার সনদ। আপনি যদি IELTS /TOEFLএর পাশাপাশি MOI দেন তাহলে আপনার স্কলারশিপ/অথবা স্কলারসশিপ ছাড়া ভর্তি এবং ভিসা পেতে জটিলতা পোহাতে হয়না।  তবে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে IELTS ছাড়া MOI দিয়েও ভর্তি করিয়ে থাকেন। যেমনঃ জার্মানী(অবশ্য জার্মানীতে ৯০ ভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে টিউশন ফি ফ্রি দেশী বিদেশি সব ছাত্রছাত্রী দের জন্য)।  🚩তবে যাইহোক বিদেশে যেতে হলে শুধু MOI টা দিয়ে নয় IELTS এর স্কোর এর সাথে MOI দিবেন। 🎀 জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনারেল কোর্সের স্টুডেন্ট দের MOI পেতে বেগ পোহাতে হয়। কিন্তু প্রফেশনাল কোর্সের স্টুডেন্ট দের যেহেতু পড়াটাই ইংরেজি মাধ্যমে সেহেতু অন্যান্...

নামের আগের কারা ইঞ্জিনিয়ার ব্যবহার করতে পারবেন।

আপানারা অনেকেই প্রশ্ন করেছেন যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে CSE, ECE, Aeronautical Engineering , Textile, N autical Engineering ইত্যাদি  কোর্স করে কি নামের আগে ইঞ্জিনিয়ার পদবী দেয়া যায় ?  উত্তর হলঃ আপনি বাংলাদেশের যেকোনো পাবলিক ইউনিভার্সিটি এবং যেকোনো বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়(শুধু মাত্র শাহ্‌জালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ব্যতীত) , প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি(কয়েকটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় ব্যতীত) এমনকি বিদেশী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এসব কোর্স করেও নামের আগে ইঞ্জিনিয়ার পদবী ব্যবহার করতে পারবেন না ।  The Institution of engineers, Bangladesh(IEB) এর অনুমোদন প্রাপ্ত ডিগ্রি এবং এর পূর্ণ সদস্য ভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় গুলো থেকে পাশ করে আপনি নামের আগে ইঞ্জিনিয়ার পদবী ব্যবহার করতে পারবেন । The Institution of engineers, Bangladesh(IEB) কে বলা হয় ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য অভিভাবক সংস্থা। নামের আগে ইঞ্জিনিয়ার টাইটেল যোগ করতে পারার পূর্ব শর্ত হলো IEB accredited ডিগ্রী অর্জন করতে হবে। IEB র পূর্ণ সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলো হলো, BUET, KUET, RUET, CUET, DUET। অর্থাৎ এইসব ...

Professional MBA ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের(National University) শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ‼

⭕ Professional MBA নিয়ে কিছু কথাঃ যারা প্রফেশনাল বিবিএ কম্পলিট করে প্রফেশনাল MBA করবেন ভাবছেন তাদের উদ্দেশ্য বলছি, জেনারেল MBA এর তুলনায় প্রফেশনাল MBA তে সময় বেশী লাগে(NU কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে)।অথচ জেনারেল/প্রফেশনাল MBA কোর্স  ১ বছর মেয়াদি । প্রফেশনাল MBA এর কলেজ সারা বাংলাদেশে মাত্র ১২ +/- টি; সে হিসাব করলে তাদের পরীক্ষা সবার আগেই শেষ হওয়ার কথা‼ চলুন একটা বাস্তব উদাহরণ দেই.... ২০১৮ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে জেনারেল এবং প্রফেশনাল MBA এর একসাথে সার্কুলার দিয়েছিলো।(তবে প্রায় সময় জেনারেল MBA এর টা আগে দেয় এটার আরেকটা কারণ হচ্ছে প্রফেশনাল BBA যারা করে তাদের ফাইনাল সেমিস্টার শেষে ৩ মাসের এক্সট্রা ইন্টার্নশীপের পাশাপাশি রিপোর্ট রেডি তার পরের মাসে VIVA এবং তারপর ২-২.৫ মাস পর রেজাল্ট দেয়ার কারণে)।  যথারীতি ফেব্রুয়ারি-মার্চে(ফাইনাল ওয়েটিং লিস্টের সময় পর্যন্ত) জেনারেল MBA ভর্তি শুরু হয়ে ক্লাস ও শুরু হয়ে গেলো প্রায় একই সময়ে মার্চ-এপ্রিলে প্রফেশনাল এর ভর্তি (ফাইনাল ওয়েটিং লিস্টের সময় পর্যন্ত) হয়ে গেল। কিন্তু বছর শেষে দেখা গেলো জেনারেল এমবিএ এর ফাইনাল এক্সাম শেষ রেজাল্ট ও দিয়ে দিলো কি...