সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

আমাদের জব মার্কেটে বিদেশীদের আধিক্য হওয়ার কারণ ?

বাংলাদেশের জব মার্কেটে বিদেশীদের আধিক্য দেখে একশ্রেণির মানুষ এটা নিয়ে হায় হায় দেশের টাকা সব বিদেশে চলে গেল বলে আফসোস করে। অথচ এটা কেউ চিন্তা করেনা যে বিদেশ থেকে এসে যদি এদেশে বিদেশীরা চাকুরী খুজে নিতে পারে তাহলে আমরা কেন নিজের দেশে চাকুরী টা নিজ যোগ্যতায় খুজে নিতে পিছিয়ে থাকব। তাদের যেই দক্ষতার বলে চাকুরী করছে সেই যোগ্যতা এবং দক্ষতা টা যদি অর্জন করতে পারি তাহলে আমাকে ঠেকায় কে একটা প্রতিষ্ঠান এর CEO হতে!! 
নাহ কি যে বলেন না .....আমরা কি আর এসব চাকুরি করতে পারি আমরা তো বিসিএস ক্যাডার জাতি। আমরা বিবিএ এমবিএ কম্পলিট করে স্বপ্ন দেখি এসএসসি অথবা এইচএসসি সমমানের ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির সরকারি চাকুরী, এর জন্য আমরা জুতার তলা ক্ষয় করে ফেলি। অথচ একবারও ভাবিনা যে আমাদের দেশে শুধুমাত্র ৩০ লাখ গার্মেন্টস কর্মীদের পরিচালনার জন্য কত হাজার হাজার ম্যানেজার প্রয়োজন!!!! অন্যান্য খাত গুলো কথা তো বাদই দিলাম।
নাহ আমরা কেন এসব করব....আমরা তো জমিদারের নাতি আমরা কেন এত কস্ট করব!!! মাথা খারাপ শরীর নস্ট হয়ে যাবেনা... প্রেস্টিজ বলে একটা কথা আছে! যোগ্যতাও নাই কস্ট করার ও হ্যাডম নাই আবার বড় বড় কথা!!
গার্মেন্টস/ ইন্ডাস্ট্রির মালিকরা ব্যাংক থেকে শত কোটি টাকা লোন নিয়ে চাকুরীর মেলা বসায় রাখছে তো যে আজাইরা জমিদারের বেকার পোলাপাইন গুলারে আদমশুমারীর মত বাড়ি বাড়ি গিয়ে চাকুরী দিয়ে আসবে আর সেসব অদক্ষ পোলাপাইন গুলা দুইদিনে কোম্পানি কে দেউলিয়া বানায় দিবে।
বিদেশীরা টাকা নিয়ে গেলেও ভাল আউটপুট দিয়ে যাচ্ছে যেটা আপনি একদিনে CEO হয়ে রাতারাতি ১০০% efficiency + productivity কর‍তে পারবেনা। কারণ ডিসিশন মেকিং এর যোগ্যতা সার্টিফিকেট দিয়ে হয়না এটা পরিশ্রম করে অর্জন করে নিতে হয়। কিন্তু আমরা তো জমিদারের নাতি আমাদের কি পরিশ্রম করা শোভা পায়.... ঠিক কিনা বলেন... ঠিক ঠিক ঠিক।।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় (National University) থেকে Medium Of Instruction (MOI) কিভাবে নিবেন?

⭕ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রফেশনাল কোর্স সম্পর্কে অনেকে অনেক কিছুই জেনেছেন আজ নতুন একটা দিক নিয়ে বলবো!(অনেকে জেনে থাকতেও পারে) সেটা হলো প্রফেশনাল অনার্স কোর্স থেকে পাশ করে যারা বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে ইচ্ছুক তাদের বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয় কে একটি এক্সট্রা সনদ দিতে হয় সেটা হল MOI।  Medium of Instruction 🎀 MOI মানে হল  Medium of Instruction (MOI)   এটা হল আপনি যে পূর্বের পড়াশোনা(অনার্স/মার্স্টাস) ইংরেজি মাধ্যমে পড়েছেন সেটার সনদ। আপনি যদি IELTS /TOEFLএর পাশাপাশি MOI দেন তাহলে আপনার স্কলারশিপ/অথবা স্কলারসশিপ ছাড়া ভর্তি এবং ভিসা পেতে জটিলতা পোহাতে হয়না।  তবে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে IELTS ছাড়া MOI দিয়েও ভর্তি করিয়ে থাকেন। যেমনঃ জার্মানী(অবশ্য জার্মানীতে ৯০ ভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে টিউশন ফি ফ্রি দেশী বিদেশি সব ছাত্রছাত্রী দের জন্য)।  🚩তবে যাইহোক বিদেশে যেতে হলে শুধু MOI টা দিয়ে নয় IELTS এর স্কোর এর সাথে MOI দিবেন। 🎀 জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনারেল কোর্সের স্টুডেন্ট দের MOI পেতে বেগ পোহাতে হয়। কিন্তু প্রফেশনাল কোর্সের স্টুডেন্ট দের যেহেতু পড়াটাই ইংরেজি মাধ্যমে সেহেতু অন্যান্...

নামের আগের কারা ইঞ্জিনিয়ার ব্যবহার করতে পারবেন।

আপানারা অনেকেই প্রশ্ন করেছেন যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে CSE, ECE, Aeronautical Engineering , Textile, N autical Engineering ইত্যাদি  কোর্স করে কি নামের আগে ইঞ্জিনিয়ার পদবী দেয়া যায় ?  উত্তর হলঃ আপনি বাংলাদেশের যেকোনো পাবলিক ইউনিভার্সিটি এবং যেকোনো বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়(শুধু মাত্র শাহ্‌জালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ব্যতীত) , প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি(কয়েকটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় ব্যতীত) এমনকি বিদেশী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এসব কোর্স করেও নামের আগে ইঞ্জিনিয়ার পদবী ব্যবহার করতে পারবেন না ।  The Institution of engineers, Bangladesh(IEB) এর অনুমোদন প্রাপ্ত ডিগ্রি এবং এর পূর্ণ সদস্য ভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় গুলো থেকে পাশ করে আপনি নামের আগে ইঞ্জিনিয়ার পদবী ব্যবহার করতে পারবেন । The Institution of engineers, Bangladesh(IEB) কে বলা হয় ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য অভিভাবক সংস্থা। নামের আগে ইঞ্জিনিয়ার টাইটেল যোগ করতে পারার পূর্ব শর্ত হলো IEB accredited ডিগ্রী অর্জন করতে হবে। IEB র পূর্ণ সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলো হলো, BUET, KUET, RUET, CUET, DUET। অর্থাৎ এইসব ...

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী যারা IBA-MBA তে পড়তে চায় তাদের জন্য

★IBA(BBA/MBA)- আপনাদের সব প্রশ্নের উত্তর:: ►আইবিএ কি? ইনস্টিটিউট অব বিজনেস এডমিনেসট্রশন এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে একটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান যেখানে বিবিএ ও এমবিএ, এক্সিকিউটিভ এমবিএ পড়ানো হয়। ►আইবিএ বলতে কি শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএকেই বোঝায়। জ্বি না, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আইবিএ আছে, জাহাঙ্গীরনগরে আইবিএ আছে কিন্তু যদিও এখনও মানুষ আইবিএ বলতে ঢাকা বিশ্বদ্যিালয়ের আইবিএটাকেই বোঝে। ►আইবিএতে কারা পড়তে পারে? যেকোন গ্রুপ থেকে (সাইন্স/আর্টস/কমার্স) এইচ এসসি পাশ করার পরে বিবিএতে আর যেকোন গ্রুপ থেকে (সাইন্স/আর্টস/ কমার্স) অনার্স/বিবিএ/বিএসসি অর্থ্যাৎ চার বছরের যেকোন কোর্স পাশ করে এমবিএতে ভর্তী পরীক্ষা দেয়া যায়। ►জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের/প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা কি এখানে পড়তে পারবে? হ্যাঁ অবশ্যই পারেবে এবং এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেকেই এখানে পড়তেছে। ►এখানে ভর্তীর যোগ্যত কি? বিবিএতে যোগ্যতা: যেকোন গ্রুপ থেকে এসএসসিতে ৩.০০, এইচএসসিতে ৩.০০করে মোট 7.50 এমবিএতে ভর্তীর যোগ্যতা: যেকোন গ্রুপ থেকে এসএসসিতে ৩.০০, এইচএসসিতে ৩.০০ অনার্স এ সেকেন্ড ক্লাশ বা ২.৫০ হলেই হব...