সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে যেভাবে অন্য কলেজে ট্রান্সফার বা স্থানান্তর হবেন / কলেজ পরিবর্তনের নিয়মাবলি দেখে নিন

অনেক সময় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এর শিক্ষার্থীদের এক কলেজ থেকে অন্য কলেজ পরিবর্তনের প্রয়োজন পড়ে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এর ওয়েবসাইটে বিভিন্ন সময় প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে ছাড়পত্র/কলেজ পরিবর্তনের নিয়ম প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। চলুন জেনে নেওয়া যাক নিয়মাবলিঃ


শিক্ষার্থী ২য় বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণীতে উন্নীত হলে ছাড়পত্রের মাধ্যমে অন্য জেলা শহরের কলেজে ভর্তি হতে পারবে। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত ফর্মে আবেদন করতে হবে।
যে সকল কারণে ছাড়পত্র নেওয়া যাবেঃ
    অভিভাবকের বদলীঃ চাকুরিতে অভিভাবক অন্য জেলা শহরে বদলী হলে। উল্লেখ্য, এখানে অভিভাবক বলতে বাবা/মাকে বুঝাবে। বাবা/মা বর্তমান থাকলে আইনগত ভাবে কাউকে অভিভাবকত্ব প্রদান করলে সে অভিভাবক হিসেবে বিবেচিত হবে।
অভিভাবকের মৃত্যু হলেঃ অভিভাবকের মৃত্যু জনিত কারণে স্থানীয় চেয়ারম্যানের প্রত্যয়নপত্র/ডেথ সার্টিফিকেট এর সত্যায়িত ফটোকপি আবেদন ফর্মের সাথে সংযুক্ত করতে হবে। প্রকৃত অভিভাবকের মৃত্যু জনিত কারণে অভিভাবকত্বের দায়িত্ব যার উপর অর্পিত হয়েছে তার সম্মতিপত্র এবং তার পেশা ও করুন্মস্থল সংক্রান্ত প্রামান্য কাগজপত্র এবং জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি জমা দিতে হবে।
সংশ্লিষ্ট কলেজের শিক্ষাকার্যক্রম/ বিষয়ের অধিভুক্তি স্থগিত হলেঃ এক্ষেত্রে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শন শাখা করুন্তৃক প্রদত্ব অধিভুক্তি বাতিলের পত্র সংযুক্ত করতে হবে।
শিক্ষার্থী প্রতিবন্ধি হলেঃ এক্ষেত্রে প্রতিবন্ধি বিষয়ে সমাজকল্যাণ দপ্তরের সনদ জমা দিতে হবে।
মেয়ে শিক্ষার্থী বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলেঃ এ ক্ষেত্রে নিকাহনামা ও স্বামীর কর্মস্থল / বসবাস এর ঠিকানার প্রামান্য কাগজ এবং স্বামীর জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি জমা দিতে হবে।
শিক্ষার্থীর অভিভাবকের স্থায়ী ঠিকানা নিকটবর্তী কলেজে ছাড়পত্র দেওয়া যাবে। এ ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর নিজের/বাবা/মা -এর জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি আবেদনপত্রের সাথে সংযুক্ত করতে হবে।
আবেদন ফর্মের সাথে প্রবেশ পত্র, রেজিস্ট্রেশন কার্ড এবং ফলাফলের সত্যায়িত কপি সংযুক্ত করতে হবে।
যেভাবে আবেদন করবেনঃ একজন শিক্ষার্থী ফলাফল প্রকাশের দিন থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে অনলাইনে ছাড়পত্রের জন্য প্রাথমিক আবেদন করতে পারবে। আবেদনের সাথে প্রার্থীর মোবাইল নম্বর সংযুক্ত করতে হবে। আবেদন করতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এর ওয়েবসাইট (nu.edu.bd) এর Services মেনু তে গিয়ে Student Login এ গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন এর পদ্ধতি জানতে এই পিডিএফ ফাইলটি ডাউনলোড করে নিন। রেজিস্ট্রেশন করা হয়ে গেলে ওই লিঙ্কে লগইন করতে হবে। লগইন করার পর বামদিকে Academic Services এ ক্লিক করলে Academic Services For Student এর তালিকা পাবেন। এই তালিকায় Transfer College(TC) তে ক্লিক করলে ছাড়পত্রের আবেদন ফরম পাবেন।
প্রার্থীর প্রাথমিক আবেদন যাচাই বাছাই করে এক সপ্তাহের মধ্যেই SMS এর মাধ্যমে তার আবেদন বিবেচনা যোগ্য কিনা তা জানিয়ে দেওয়া হবে। আবেদন গ্রহণযোগ্য হলে প্রার্থীকে ছাড়পত্রের ফিসহ নির্ধারিত ফরমে বিশ্ববিদ্যালয়ে চূড়ান্ত আবেদনপত্র জমা দিতে হবে। চূড়ান্ত আবেদনের সাথে শুধুমাত্র ছাড়পত্র প্রদানকারী কলেজের অনাপত্তিপত্র জমা দিতে হবে। উল্লেখ্য যে, শিক্ষার গুনগত মানোন্নয়নের প্রতি লক্ষ রেখে ছাড়পত্র অনুমোদনের ক্ষেত্রে প্রার্থী যে কলেজে ভর্তি হতে ইচ্ছুক সে কলেজের প্রার্থীত বিষয়ের শিক্ষার্থী – শিক্ষক সংখ্যানুপাত Optimum সংখ্যার অনেক বেশী হলে প্রার্থীর আবেদন বিবেচনা করা হবে না।
একই জেলা/বিভাগীয় শহরে অবস্থিত দু’টি কলেজের মধ্যে ছাড়পত্র ইস্যু করা যাবে না। তবে বিশেষ কারণবশত মেয়ে শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে উক্ত শর্ত শিথিলযোগ্য।
কোর্স ফাইনাল পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু হলে ছাড়পত্র ইস্যু করা যাবে না। তাছাড়া স্নাতক (সম্মান ) শ্রেণীতে ৩য় ও ৪র্থ বর্ষে বিশেষ কারণ ছাড়া ছাড়পত্র প্রদান করা যাবে না।
প্রামাণ্য তথ্যে কোন জালিয়াতির প্রমাণ পাওয়া গেলে শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল বলে গন্য হবে।
বাস্তবিক অভিজ্ঞতা যেটি বলে:
প্রথমে আপনাকে ছাড়পত্রের জন্য আবেদনের ফরম সংগ্রহ করতে হবে। সাধারণত এই ফরমটি আপনার কলেজের কেরানির কাছে পেয়ে যাবেন। এখন ওই ফরমটি সঠিক এবং নির্ভুল ভাবে পূরণ করে ফেলুন। তারপর নিচের উল্লেখিত কাগজপত্র গুলা তৈরি করুন
  • রেজিস্ট্রেশন কার্ডের ফটোকপি
  • এডমিট কার্ডের ফটোকপি
  • সর্বশেষ পরীক্ষার ফলাফলের প্রিন্ট কপি (জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এর ওয়েবসাইট থেকে ফলাফল বের করে প্রিন্ট করে নিন)
  • জাতীয়তা সনদপত্র (আপনার এলাকার চেয়ারম্যান বা কাউন্সিলর থেকে সংগ্রহ করুন)
তারপর সব গুলা একসাথে করে এর আগে পূরণ করা ছাড়পত্রের জন্য আবেদনের ফরমটি নিয়ে আপনাকে যেতে হবে, আপনি যেই কলেজে স্থানান্তরিত (ট্র্যান্সফার) হতে চান। প্রথমে সেই কলেজে গিয়ে দেখা করুন আপনি যেই বিভাগের ছাত্র/ছাত্রী সেই বিভাগের প্রধানের সাথে এবং তাকে বুঝিয়ে বলুন আপনি কেন বর্তমান কলেজ থেকে উনার কলেজে  স্থানান্তরিত  (ট্র্যান্সফার) হতে চান। উনার কাছ থেকে ছাড়পত্রের ফরমে সাইন এবং সিল নিয়ে চলে যান সেই কলেজের অধ্যক্ষের সাথে। সাধারণত বিভাগীয় প্রধান সাইন দিয়ে দিলে অধ্যক্ষ আর আটকিয়ে রাখে না। অধ্যক্ষ থেকে সাইন এবং সিল নিয়ে নেয়ার পর মনে করে বিভাগীয় প্রধান এবং অধ্যক্ষের সাইনের মাঝে ওই কলেজের মোহরের সিল নিয়ে নিবেন। (নিচের ছবির মত)
তারপর চলে যান আপনার বর্তমান কলেজে সেখান থেকে বিভাগীয় প্রধান এবং অধ্যক্ষের সাইন এবং মোহর লাগিয়ে নিন। (হয়তো আপনাকে ওই বৎসরের সেমিস্টার এবং সেমিনার খরচ দিতে হতে পারে)
এখন আপনার কাগজ পত্র প্রস্তুত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এ প্রক্রিয়া করে আনার জন্য। এখন এই কাজের জন্য শেষ পর্যন্ত আপনাকে একজন দালালের শরণাপন্ন হতেই হবে কারন আপনি নিজে যদি যান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এ প্রক্রিয়া করে আনার জন্য আপনাকে শুধু ওরা ঘুরাবে এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে।
এখন আপনি দালাল কোথায় পাবেন??? এটাইতো আপনার প্রশ্ন, তাইতো?
আপনার বর্তমান কলেজের কেরানির কাছে গিয়ে বলুন আপনার কাজটা করিয়ে দিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। তখন নিশ্চিত ভাবে সে বলবে হা আমি পারবো তবে আলোচনা সাপেক্ষে। আপনি বলবেন ঠিক আছে।
এখন কত খরচ হবে?
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এ নির্ধারিত খরচ হচ্ছে মাত্র ৭৫০ টাকা। কিন্তু এই কাজটা করতে আপনাকে যেতে হবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এ। তাই গাড়ি ভাড়া আছে সাথে কিছু দিন থাকতে হবে এর খরচ আছে। আপনি যদি আপনার কলেজের কেরানির মাধ্যমে করান তার একই করুনছ আছে কিন্তু আপনার কাজটা অনেক দ্রুত এবং কম কষ্টকরুন হব।
সাধারণত আপনার কলেজের কেরানি এই কাজটা ২০০০ থেকে ৩০০০ টাকায় করে দিবে। এর বেশী চাইলে আপনি অন্য কলেজের কেরানীর সাথে কথা বলে দেখতে পারেন। কিন্তু কোন ভাবেই এর বেশী দিতে যাবেন না কারন এই ৩০০০ টাকাতেই ওই কেরানীর অর্ধেক লাভ থাকবে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এ আপনার কাগজপত্র প্রক্তিয়া হতে সাধারণত সাতদিন সময় লাগে, তারপর আপনি একটি কাগজ পাবেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সেটা নিয়ে চলে যান আপনার বর্তমান কলেজে এবং ছাড়পত্র সংগ্রহ করুন (এর বিনিময়ে কোন খরচ চাইলে রসিদ ছাড়া দিবেন না)। সেই ছাড়পত্র নিয়ে চলে যান আপনি যেই কলেজে স্থানান্তরিত  (ট্র্যান্সফার) হয়ে ভর্তি হতে ইচ্ছুক সেখানে এবং নির্ধারিত খরচ দিয়ে ভর্তি হয়ে যান।
এখন আপনার প্রশ্ন থাকতে পারে আমার এতো খরচ হল কেন?
কারন আমি উপরের কিছুই জানতাম না (আমি আগ্যেই বলেছি কলেজ পরিবর্তন (ট্র্যান্সফার) সম্পর্কিত কোন তথ্য নেই কোথাও )। আমাকে অন্য কলেজের একজন কেরানীর মাধ্যমে এই কাজটি করতে হয়েছে। উনাকে টাকা দেয়ার পরই উনি আমাকে বলেছেন কি কি কাগজপত্র লাগবে এবং কিভাবে কি করতে হবে।
তথ্য সংগ্রহঃ https://eshikhon.com/ 
লেখকঃ Ibrahim Akbar
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছারপত্র সংক্রান্ত সমস্ত নোটিশঃ






মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় (National University) থেকে Medium Of Instruction (MOI) কিভাবে নিবেন?

⭕ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রফেশনাল কোর্স সম্পর্কে অনেকে অনেক কিছুই জেনেছেন আজ নতুন একটা দিক নিয়ে বলবো!(অনেকে জেনে থাকতেও পারে) সেটা হলো প্রফেশনাল অনার্স কোর্স থেকে পাশ করে যারা বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে ইচ্ছুক তাদের বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয় কে একটি এক্সট্রা সনদ দিতে হয় সেটা হল MOI।  Medium of Instruction 🎀 MOI মানে হল  Medium of Instruction (MOI)   এটা হল আপনি যে পূর্বের পড়াশোনা(অনার্স/মার্স্টাস) ইংরেজি মাধ্যমে পড়েছেন সেটার সনদ। আপনি যদি IELTS /TOEFLএর পাশাপাশি MOI দেন তাহলে আপনার স্কলারশিপ/অথবা স্কলারসশিপ ছাড়া ভর্তি এবং ভিসা পেতে জটিলতা পোহাতে হয়না।  তবে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে IELTS ছাড়া MOI দিয়েও ভর্তি করিয়ে থাকেন। যেমনঃ জার্মানী(অবশ্য জার্মানীতে ৯০ ভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে টিউশন ফি ফ্রি দেশী বিদেশি সব ছাত্রছাত্রী দের জন্য)।  🚩তবে যাইহোক বিদেশে যেতে হলে শুধু MOI টা দিয়ে নয় IELTS এর স্কোর এর সাথে MOI দিবেন। 🎀 জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনারেল কোর্সের স্টুডেন্ট দের MOI পেতে বেগ পোহাতে হয়। কিন্তু প্রফেশনাল কোর্সের স্টুডেন্ট দের যেহেতু পড়াটাই ইংরেজি মাধ্যমে সেহেতু অন্যান্...

নামের আগের কারা ইঞ্জিনিয়ার ব্যবহার করতে পারবেন।

আপানারা অনেকেই প্রশ্ন করেছেন যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে CSE, ECE, Aeronautical Engineering , Textile, N autical Engineering ইত্যাদি  কোর্স করে কি নামের আগে ইঞ্জিনিয়ার পদবী দেয়া যায় ?  উত্তর হলঃ আপনি বাংলাদেশের যেকোনো পাবলিক ইউনিভার্সিটি এবং যেকোনো বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়(শুধু মাত্র শাহ্‌জালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ব্যতীত) , প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি(কয়েকটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় ব্যতীত) এমনকি বিদেশী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এসব কোর্স করেও নামের আগে ইঞ্জিনিয়ার পদবী ব্যবহার করতে পারবেন না ।  The Institution of engineers, Bangladesh(IEB) এর অনুমোদন প্রাপ্ত ডিগ্রি এবং এর পূর্ণ সদস্য ভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় গুলো থেকে পাশ করে আপনি নামের আগে ইঞ্জিনিয়ার পদবী ব্যবহার করতে পারবেন । The Institution of engineers, Bangladesh(IEB) কে বলা হয় ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য অভিভাবক সংস্থা। নামের আগে ইঞ্জিনিয়ার টাইটেল যোগ করতে পারার পূর্ব শর্ত হলো IEB accredited ডিগ্রী অর্জন করতে হবে। IEB র পূর্ণ সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলো হলো, BUET, KUET, RUET, CUET, DUET। অর্থাৎ এইসব ...

Professional MBA ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের(National University) শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ‼

⭕ Professional MBA নিয়ে কিছু কথাঃ যারা প্রফেশনাল বিবিএ কম্পলিট করে প্রফেশনাল MBA করবেন ভাবছেন তাদের উদ্দেশ্য বলছি, জেনারেল MBA এর তুলনায় প্রফেশনাল MBA তে সময় বেশী লাগে(NU কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে)।অথচ জেনারেল/প্রফেশনাল MBA কোর্স  ১ বছর মেয়াদি । প্রফেশনাল MBA এর কলেজ সারা বাংলাদেশে মাত্র ১২ +/- টি; সে হিসাব করলে তাদের পরীক্ষা সবার আগেই শেষ হওয়ার কথা‼ চলুন একটা বাস্তব উদাহরণ দেই.... ২০১৮ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে জেনারেল এবং প্রফেশনাল MBA এর একসাথে সার্কুলার দিয়েছিলো।(তবে প্রায় সময় জেনারেল MBA এর টা আগে দেয় এটার আরেকটা কারণ হচ্ছে প্রফেশনাল BBA যারা করে তাদের ফাইনাল সেমিস্টার শেষে ৩ মাসের এক্সট্রা ইন্টার্নশীপের পাশাপাশি রিপোর্ট রেডি তার পরের মাসে VIVA এবং তারপর ২-২.৫ মাস পর রেজাল্ট দেয়ার কারণে)।  যথারীতি ফেব্রুয়ারি-মার্চে(ফাইনাল ওয়েটিং লিস্টের সময় পর্যন্ত) জেনারেল MBA ভর্তি শুরু হয়ে ক্লাস ও শুরু হয়ে গেলো প্রায় একই সময়ে মার্চ-এপ্রিলে প্রফেশনাল এর ভর্তি (ফাইনাল ওয়েটিং লিস্টের সময় পর্যন্ত) হয়ে গেল। কিন্তু বছর শেষে দেখা গেলো জেনারেল এমবিএ এর ফাইনাল এক্সাম শেষ রেজাল্ট ও দিয়ে দিলো কি...