সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়(NU) বনাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়(DU) !!!!!

NU VS. DU......
২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাত্র ৩৭,০০০ স্টুডেন্টের জন্য শিক্ষাখাতের উন্নয়নে বাজেট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৭৬৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা অথচ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৮,০০,০০০(আটাশ লক্ষ) এর ও বেশী স্টুডেন্ট দের জন্য বাজেট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে মাত্র ৪৮৮ কোটি ১৫ লাখ ৮৫ হাজার টাকা । কোথায় ৩৭,০০০ স্টুডেন্ট আর কোথায় ২৮ লক্ষেরও অধিক স্টুডেন্ট!!!! শিক্ষাখাতে আমরা সবার জন্য সমান শিক্ষার অধিকার সুনিশ্চিত করতে পারছিনা শুধুমাত্র আমাদের নীতিনির্ধারকেরা নিজেরাই বৈষম্য তৈরী করার কারণে। তাদের এই বৈষম্যের কারণে আজ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বেহাল দশা।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছ থেকে বাংলাদেশের একমাত্র ব্যাংকার প্রফেশনাল তৈরীর সূতিকাগার(শিক্ষার ক্ষেত্রে ১ নম্বর ব্রান্ড) BIBM কে কেড়ে নিয়ে ২০১২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে দেয়া হল কারণ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বেড়ে যাচ্ছে তাই। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামকরা ৭ কলেজ কে নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে দেয়া হল আর কত বৈষম্যের শিকার হব আমরা। সামনে এককাজ করিয়েন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে BKSP, Bangladesh press Institute, marine Fisheries, সংগীত এর উপর একমাত্র কলেজ(যেখানে বিশ্বভারতীর শিক্ষকরা ক্লাস নেন), পুলিশ ক্রিমিনোলজির উপর ডিগ্রী দেয়া একমাত্র কলেজ,Tourism and Hotel management,Aviation ম্যানেজমেন্ট এর উপর নামকরা ইন্সটিটিউট, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এর নামকরা ইন্সটিটিউট ব্লাহ ব্লাহ আরও যা যা আছে সব নিয়ে যান!!!!! 😠😠😡😡😠
ঢাবির প্রাক্তন ভিসি আ আ ম স আরেফীন সিদ্দিক ১ম মেয়াদে থাকাকালীন NU থেকে জোড় করে BIBM নিল আর ২য় মেয়াদে নিয়ে নিল ৭ কলেজ। নিবেই বা না কেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন,শিক্ষা মন্ত্রণালয়, PSC সবাইতো DU এর কথায় উঠে আর বসে!! আমাদের ভিসি হারুনুর রশীদ স্যার আগে ঢাবির প্রফেসর ছিলেন যেটা কিনা ঢাবির ভিসি মেনে নিতে পারেন নি একারণেই যে উনার আন্ডারের একজন প্রফেসর কিভাবে এতবড় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হন তখন থেকেই দ্বন্দ্ব শুরু। এরকম আরও কয়েকটা আরেফিন সিদ্দিক থাকলে শিক্ষাংগনে বৈষম্য বাড়বে বৈ কমবে না। অথচ সারাবিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা বাদ দিলাম এশিয়ার ৪০০ ইউনিভার্সিটির র্যাংকিং এও নাই 😅😆😃😂

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় (National University) থেকে Medium Of Instruction (MOI) কিভাবে নিবেন?

⭕ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রফেশনাল কোর্স সম্পর্কে অনেকে অনেক কিছুই জেনেছেন আজ নতুন একটা দিক নিয়ে বলবো!(অনেকে জেনে থাকতেও পারে) সেটা হলো প্রফেশনাল অনার্স কোর্স থেকে পাশ করে যারা বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে ইচ্ছুক তাদের বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয় কে একটি এক্সট্রা সনদ দিতে হয় সেটা হল MOI।  Medium of Instruction 🎀 MOI মানে হল  Medium of Instruction (MOI)   এটা হল আপনি যে পূর্বের পড়াশোনা(অনার্স/মার্স্টাস) ইংরেজি মাধ্যমে পড়েছেন সেটার সনদ। আপনি যদি IELTS /TOEFLএর পাশাপাশি MOI দেন তাহলে আপনার স্কলারশিপ/অথবা স্কলারসশিপ ছাড়া ভর্তি এবং ভিসা পেতে জটিলতা পোহাতে হয়না।  তবে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে IELTS ছাড়া MOI দিয়েও ভর্তি করিয়ে থাকেন। যেমনঃ জার্মানী(অবশ্য জার্মানীতে ৯০ ভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে টিউশন ফি ফ্রি দেশী বিদেশি সব ছাত্রছাত্রী দের জন্য)।  🚩তবে যাইহোক বিদেশে যেতে হলে শুধু MOI টা দিয়ে নয় IELTS এর স্কোর এর সাথে MOI দিবেন। 🎀 জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনারেল কোর্সের স্টুডেন্ট দের MOI পেতে বেগ পোহাতে হয়। কিন্তু প্রফেশনাল কোর্সের স্টুডেন্ট দের যেহেতু পড়াটাই ইংরেজি মাধ্যমে সেহেতু অন্যান্...

নামের আগের কারা ইঞ্জিনিয়ার ব্যবহার করতে পারবেন।

আপানারা অনেকেই প্রশ্ন করেছেন যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে CSE, ECE, Aeronautical Engineering , Textile, N autical Engineering ইত্যাদি  কোর্স করে কি নামের আগে ইঞ্জিনিয়ার পদবী দেয়া যায় ?  উত্তর হলঃ আপনি বাংলাদেশের যেকোনো পাবলিক ইউনিভার্সিটি এবং যেকোনো বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়(শুধু মাত্র শাহ্‌জালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ব্যতীত) , প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি(কয়েকটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় ব্যতীত) এমনকি বিদেশী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এসব কোর্স করেও নামের আগে ইঞ্জিনিয়ার পদবী ব্যবহার করতে পারবেন না ।  The Institution of engineers, Bangladesh(IEB) এর অনুমোদন প্রাপ্ত ডিগ্রি এবং এর পূর্ণ সদস্য ভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় গুলো থেকে পাশ করে আপনি নামের আগে ইঞ্জিনিয়ার পদবী ব্যবহার করতে পারবেন । The Institution of engineers, Bangladesh(IEB) কে বলা হয় ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য অভিভাবক সংস্থা। নামের আগে ইঞ্জিনিয়ার টাইটেল যোগ করতে পারার পূর্ব শর্ত হলো IEB accredited ডিগ্রী অর্জন করতে হবে। IEB র পূর্ণ সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলো হলো, BUET, KUET, RUET, CUET, DUET। অর্থাৎ এইসব ...

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী যারা IBA-MBA তে পড়তে চায় তাদের জন্য

★IBA(BBA/MBA)- আপনাদের সব প্রশ্নের উত্তর:: ►আইবিএ কি? ইনস্টিটিউট অব বিজনেস এডমিনেসট্রশন এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে একটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান যেখানে বিবিএ ও এমবিএ, এক্সিকিউটিভ এমবিএ পড়ানো হয়। ►আইবিএ বলতে কি শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএকেই বোঝায়। জ্বি না, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আইবিএ আছে, জাহাঙ্গীরনগরে আইবিএ আছে কিন্তু যদিও এখনও মানুষ আইবিএ বলতে ঢাকা বিশ্বদ্যিালয়ের আইবিএটাকেই বোঝে। ►আইবিএতে কারা পড়তে পারে? যেকোন গ্রুপ থেকে (সাইন্স/আর্টস/কমার্স) এইচ এসসি পাশ করার পরে বিবিএতে আর যেকোন গ্রুপ থেকে (সাইন্স/আর্টস/ কমার্স) অনার্স/বিবিএ/বিএসসি অর্থ্যাৎ চার বছরের যেকোন কোর্স পাশ করে এমবিএতে ভর্তী পরীক্ষা দেয়া যায়। ►জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের/প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা কি এখানে পড়তে পারবে? হ্যাঁ অবশ্যই পারেবে এবং এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেকেই এখানে পড়তেছে। ►এখানে ভর্তীর যোগ্যত কি? বিবিএতে যোগ্যতা: যেকোন গ্রুপ থেকে এসএসসিতে ৩.০০, এইচএসসিতে ৩.০০করে মোট 7.50 এমবিএতে ভর্তীর যোগ্যতা: যেকোন গ্রুপ থেকে এসএসসিতে ৩.০০, এইচএসসিতে ৩.০০ অনার্স এ সেকেন্ড ক্লাশ বা ২.৫০ হলেই হব...